বিষাক্ত এবং দূষিত জীবন অন্যায় করেও পার পায় আর অন্যের জীবনকেও মানব দূষনের কেন্দ্রবিন্দুতে রুপান্তরিত করে।
আসলেই কি এরা চালাক চতুর নব্য প্রজাতী নাকি কেবলই নানা দূষনের ফলে তৈরী হয়েছে। একটি নতুন দিনের সন্ধানে থাকা সবার জন্যই উৎসাহ উদ্দীপনার এবং অনেকের কাছেই সেসবকিছু একটি বিশাল আগ্রহের বিষয়ও বটে।মানুষের মধ্যে প্রজন্মের পর প্রজন্ম লালিত কিছু কিছু স্বপ্ন এবং প্রত্যাশাও থাকতে পারে।যেটা নিজের জীবনে বাস্তব না হলেও ভবিষৎ প্রজন্মের কাছে নিজস্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও কৃস্টির মাধ্যমে হস্তান্তরিত হয়। কিন্তু আমরা জন্মেই যে কিছু পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি তা বহু মানুষের হস্তক্ষেপে তৈরী হয়েছে এমন একটি সভ্যতা। এখানে বহুকাল অতীত হতেই অনেক রাজা মহারাজাদের এবং তাদের সৈন্য সামন্তের অনেক ইতিহাস ঘুমিয়ে রয়েছে এই আমাদেরই চারপাশে। অধিকাংশ নব প্রজন্মের মানুষই সেসব অতীতকে আর স্মরনে আনতে চায় না এখন। কারন প্রকৃতপক্ষে তারা সত্য থেকে দূরে আছে। শুধু যে নানামুখী টানাপড়েনের ফলাফল এই সভ্যতা শুধু তাই নয় একদিক থেকে চিন্তা করলে এটা মনে হতেই পারে যে এই সভ্যতা আসলে দাসত্বের সভ্যতা। যদি সভ্যতার সুফল মানুষের দ্বারপ্রান্তে এখনও না ই পৌছাবে তাহলে সেটা দাসত্বব্যঞ্জক কোনকিছু হবে সভ্যতা আসলে নয়। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে যে প্রকৃতপক্ষে যে রিয়েলিটি আমরা এখন দাঁড়িয়ে আছি সেটা কি তবে অজানার ভবিষৎকে মোকাবেলার জন্য নাকি সত্যকে অস্বীকার করে চোখ বুঁজে দিন যাপনের মত নানামুখি ভব্যতা। অথবা কি এমন হতে পারে যে আমাদের এই অবস্থান অত্যন্ত সাময়িক অবস্থান এবং অর্থহীন স্যুরিয়ালিজম প্রকৃত বাস্তব এখনও আমাদের প্রত্যক্ষন ক্ষমতারই বাইরের বিষয়।
আমাদেরকে যে কয়েকটি বিষয়কে জ্ঞান হিসাবে সার্বজনীন স্বীকার্য মানতে হচ্ছে তৎমদ্ধে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে একদিকে মানজাতীর উপলব্ধির মধ্যে রয়েছে হাজার বছর ধরে সুপ্ত থাকা নানান দুঃখকস্টের অনুভবের একটি সার্জনীনতা এবং শুভ সময়ের আগমনের বার্তায় যাবতীয় ঘুমন্ত থাকা অসাঞ্জস্য এবং যেকোন সময় বিস্ফোরোম্মুখ শুভঙ্করের ফাঁকিগুলোও আছে প্রকাশ্য ও বহাল তবিয়তে।
মানুষের প্রত্যেকটি প্রত্যাশাকেই ঘিরে রয় দায়িত্ব এবং কর্তব্য বোধের উপলব্ধিগুলি। কেননা ভবিষৎকে একমাত্র প্রত্যাশার মধ্যে বাঁধলেই সবকিছুই পাওয়া হবে না। শুভ অশুভের চিহ্ন যেমন জরুরী মনে হয় তেমনি ভালো বা মন্দের অনুভবগুলিও খুব বাস্তব এবং তাই এসবের উপলব্ধিও একটি সমাজের প্রকৃতি এবং গতিবিধীর ধারক ও বাহক হতে পরে। যে কোন সমাজ কেবল যে শুধু বৃহৎ হলেই যেমন একক প্রাধান্যের দাবীদার হতে পারবে না তেমনি কোন ক্ষুদ্র সমাজও তার গঠনমূলক সাম্রাজ্য বিনা বাধায় অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না। এই দুই অবস্থানের সমন্বয় সাধন একান্ত জরুরী।
সর্বাগ্রে সভ্যতার স্থিতিশীলতাকে নিক্তির মানদন্ডে যাচাই করতেই হচ্ছে। কারন প্রথমে পরাবাস্তবতাকে ডিফাইন করা গেলে তখন অস্তিত্ববাদীরা হালে পানি পাবেন এবং পরে সার্জবনীন জ্ঞানকে অবমুক্ত করা যেতে পারে। যেকোন বিশ্বাসের পক্ষে সুনির্দিস্ট প্রমানাদি থাকে না। বিধায় বিশ্বাস সমন্বয় করতে নানান অসুবিধাও যেমন আছে তেমনি এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয় (এমন অনেকেই আছেন) যাঁরা বিশ্বাসের মধ্যে একদম বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারেন। বিশ্বাসের সার্বজনীন আবেদন রয়েছে তাই এর আপীলগুলো বা অনুরাগ বিরাগ চিহ্নগুলি পর্যবেক্ষন, ধারন এবং বিচার করতে পারলেই চলবে বলে এঁরা ভাবতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। কিন্তু বিশ্লেষনী মন স্থিতিশীলতার ব্যাপারটিতে বাস্তবিকই অনেক আন্তরিক হন। তাই এদের মানষিক সমন্বয় কিছুটা ভিন্ন প্রকৃতির হয়। যে কোন সার্বজনীনতাকেই এই শ্রেনীর মানুষেরা ষড়যন্ত্র মনে করতে পারেন। এড়িয়েও যেতে পারেন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন